থাইল্যান্ডে অফুরন্ত অবসর
প্রকৃতি যেন এখানে রূপের দরিয়া খুলে বসেছে। সঙ্গে পর্যটকদের মন আকর্ষণ করে নিয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। গ্রীষ্ম, বর্ষা কিংবা শীত তিন কালেই এখানে পর্যটকের মেলা বসে। বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন জাতি-বর্ণের মানুষ এখানে দেখতে আসেন প্রকৃতির রূপলীলা। সমুদ্রসৈকত তো এখানে আনন্দ দেয়ই; থাই ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিও পর্যটকদের নিয়ে যায় বহু বছর আগের ইতিহাসে।
বলিউড, ঢালিউড রঙিন সিনেমার পাশাপাশি থাই পাতায়া পর্যটকদের জন্য এ মুহূর্তে অন্যতম পছন্দের স্থান। থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, পাতায়া, ফুকেতে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসু অনেক বাঙালি। মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে অসংখ্য উড়ালসড়ক। প্রতিটি রাস্তার একটি লেন, রাস্তার প্রায় দুটি লেনই সমানভাবে চওড়া আর এটাই হচ্ছে ব্যাংকক। নাইস সিটির বুক চিরে বয়ে গেছে চাও-ফ্রায়া নদী। রাতের মায়াবী আলোয় জলপথে শহরটাকে ঘুরে দেখতে অসাধারণ লাগে। রিভার ক্রুজ, বিদেশিদের কাছে অন্যতম নিশিজীবন। রাত যত বাড়তে থাকে ততই রঙিন হয় ব্যাংকক সিটি।
শহরজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ড্যান্স বার, ডিস্কো বার। সর্বত্রই পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়, পাঁচিলঘেরা চওড়া মাঠ, জলাশয়। মাটি থেকে ৩ ফুট ওপরে প্লাটফরমের রেস্তোরাঁ। গোটা রেস্তোরাঁটি ঘেরা বুলেটপ্রুফ কাচে, যে কোনো সময় কৌতূহলী বাঘের থাবা এসে পড়তে পারে আপনার লাঞ্চ টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কাচের দেয়ালে। পাহাড়, সমুদ্রেঘেরা ছোট্ট শহর পাতায়া। থাই সিটিতে দর্শনীয় স্থানের পাশাপাশি শপিং মল বা কেনাকাটাও বেশ রোমাঞ্চকর। রাতেও হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে মুখরিত থাকে ব্যাংকক সিটির রাজপথ।
কীভাবে যাবেন:
ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য অবশ্যই থাইল্যান্ডের অ্যাম্বাসিতে একটি আবেদন করতে হবে। ভিসা প্রসেসিং তেমন একটা কঠিন নয়। বাংলাদেশ থেকে সহজে থাইল্যান্ড যাওয়ার জন্য এয়ার বাই বা বিমানে করে যেতে হবে। থাই অ্যাম্বাসি আপনার সার্বিক দিক বিবেচনা করে ট্যুরিস্ট ভিসার অনুমোদন দেয়।
ভোজনবিলাস :
ব্যাংকক সিটি ও পাতায়া দ্বীপে নানা ধরনের খাবারের সমারোহ; চিংড়ি, জায়ান্ট কাবাব, চিকেন, হাঁসের বিফ, সামুদ্রিক মাছের বাহারি পদ। পাশাপাশি মেন্যুতে রয়েছে ব্যাঙ, ঝিনুক, শামুক, কাঁকড়াও। ব্যাংকক সিটির মূল আকর্ষণ টাইগার রেস্টুরেন্ট, যেখানে না গেলে অনেক বড় মিসিং হয়ে যাবে।
Post a Comment