ইউএসএস জুমাল্ট
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে,
২৮৮ টি রণতরী,
৬২ ডেস্ট্রয়ার,
৭৩ সাবমেরিন,
৩ লাখ ২৩ হাজার সমুদ্র সৈনিক,
রিজার্ভ ফোর্সে ১ লাখ সৈন্য, এই তথ্যগুলো থেকে বোঝা যায় তারাই সেরা।
রণতরীতে আধুনিকায়ন চলছে। জেনে অবাক হবেন, সামরিক শক্তিধর দেশগুলো সমুদ্রে নিজেদের অধিপত্য বিস্তারে যুদ্ধজাহাজে বিচিন্ন ধরনের জাহাজের সংযোজন ঘটাচ্ছে। বড় দেশগুলো পিছিয়ে নেই এই তালিকা থেকে।
বিভিন্ন দেশের ডেস্ট্রয়ার গুলো ভয়ংকর রুপে পরিণত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে ডেস্ট্রয়ারে রুপান্তর করা হচ্ছে রণতরী গুলোকে।
এখন বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ও ভয়ংকর বিমানবাহী ডেস্ট্রয়ার রয়েছে আমেরিকার। এখন পর্যন্ত বিমানবাহী রণতরী সবচেয়ে বেশি রয়েছে আমেরিকার। আমেরিকার এখন মোট বিমানবাহী রণতরী রয়েছে ১০ টি।
ইউএসএস জুমাল্ট নামের এই ডেস্ট্রয়ারটি নির্মাণ করতে যুক্তরাস্ট্রের খরচ হতে যাচ্ছে ৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি লম্বায় ৬১০ ফুট ও এর ওজন হবে ১৫ হাজার টন। ২০১৬ সালে এই জাহাজটি সমুদ্রে পরীক্ষামূলক টহল দিয়েছে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় ও আক্রমণাত্মক রণতরী। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-বাহিনী জুমাল্টকে সামুদ্রিক ঈগল বলে অহংকার করে।
কম্পিউটারের নির্দেশ মেনে এটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। এতে যোগ করা হয়েছে অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম। এছাড়া রয়েছে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক লেজার গান ও রেইল গান।
রণতরীর দিক থেকে এটাকেই সবদিকে এগিয়ে রাখতে হবে। অবশ্য এখানেই থেমে নেই যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিমানবাহী রণতরী নির্মাণে সবচেয়ে এগিয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্র। রণতরীর নাম রাখা হয়েছে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। এর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২. ৯ বিলিয়ন ডলার। একলাখ টন ওজন ও ১০০ ফুট দৈর্ঘের রণতরীটি যুক্তরাষ্ট্রের গর্ব হিয়ে উঠবে। বলা হচ্ছে রণতরীতে ফাইবার অপটিক তার রয়েছে ৪০ লাখ ফুট। এছাড়া এর ইলেকট্রিক তারের দৈর্ঘ্য প্রায় এক কোটি ফুট। এতে অবস্থান করতে পারবে ৭৫ টির বেশি বিমান। প্রায় ৪৫৩৯ জন মানুষ বহন করতে পারবে এই রণতরী। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দেখতে পাওয়া যাবে এই জাহাজকে।
Post a Comment